কত রকমের মিউচুয়াল ফান্ড হয় ? | What are the different Types of Mutual Funds?

মিউচুয়াল ফান্ড সম্বন্ধে জানুন বিস্তারিত Part 2
মিউচুয়াল ফান্ড অনেক রকমেরই হতে পারে। আসুন সেগুলো সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক।
 ১. ইক্যুইটি ফান্ড (Equity Fund)
এইরকম মিউচুয়াল ফান্ডে টাকা রাখা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ যদি শেয়ার বাজারে ধস নামে অর্থাৎ দাম যদি পড়ে যায়, তাহলে কিন্তু আপনার টাকা মার যেতে পারে। তাই খুব একটা এই স্কিমে টাকা না রাখাই ভালো।
Example: SBI Small Cap Fund
২. ডেট ফান্ড (Debt Fund)
সরকারী, বেসরকারী কর্পোরেট ঋণপত্রের মাধ্যমে টাকা লগ্নি করা হয়। এখানে ততটা ঝুঁকি থাকে না। টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে এখানে অনেকটাই নিশ্চিন্তে থাকা যায়।
 Example:Reliance Liquid Fund

৩. ব্যালান্সড ফান্ড (Balanced Fund)
ইক্যুইটি আর ডেট এই দুই ক্ষেত্রেই টাকা বিনিয়োগ করা যায় এই পদ্ধতিতে। বিনিয়োগকারীকে মোটা অঙ্কের টাকা ফেরত দেওয়াই এই ব্যবস্থার লক্ষ্য।

৪. মানি মার্কেট মিউচুয়াল ফান্ড (Money Market Mutual Fund)
ল্পমেয়াদের বিনিয়োগ করা হল এই ব্যবস্থার অন্যতম শর্ত। একে লিক্যুইড ফান্ডও বলা হয়। ট্রেজারি, কমার্শিয়াল পেপারে বিনিয়োগ হয়ে থাকে।

৫. গিল্ড ফান্ডস (Gilt Fund)
এখানে সরকারি সিকিউরিটিজে (Government Securities) টাকা ঢালা হয়। তাই আপনার টাকা সম্পূর্ণভাবে নিরাপদে এখানে রাখতে পারেন। এটাই সবচেয়ে নিরাপদ ফান্ড।
মিউচুয়াল ফান্ডের আরেকরকম শ্রেণীবিভাগও করা যায়। সেটা হল দুই প্রকার- ওপেন এন্ডেড স্কিমস আর ক্লোসড এন্ডেড স্কিমস। ওপেন এন্ডেড স্কিমে নতুন শেয়ারের প্রচলন বা পুরনো শেয়ারের পুনঃক্রয় করা যায়। কিন্তু ক্লোসড স্কিমে তা করা যায় না। এছাড়াও ওপেন এন্ডেড স্কিমে ম্যানেজারেরা জনপ্রিয় পদ্ধতি বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে আনেন। অন্যদিকে ক্লোসড এন্ডেড স্কিমে এই ধরণের নমনীয় ব্যবস্থা থাকে না।

কারা করতে পারেন এই ইনভেস্টমেন্ট? | Who all can invest?

ভারতের সকল অধিবাসী, NRI বা Non-residents Indians, POI বা Persons of Indian Origin অর্থাৎ জন্মসূত্রে যারা ভারতীয়, কো-অপারেটিভ সোসাইটি, কোনো ট্রাস্টি বা ধর্মীয় সংস্থাও এই বিনিয়োগ করতে পারেন।

Comments