Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2017

OnePlus Nord2 5g review

OnePlus Nord 2 is an upcoming mobile by OnePlus. The phone is rumored to come with a 6.43-inch touchscreen display. OnePlus Nord 2 is expected to be powered by an octa-core MediaTek Dimensity 1200 processor and come with 8GB of RAM. The OnePlus Nord 2 is rumoured to run Android 11 and is expected to be powered by a 4500mAh battery. As far as the cameras are concerned, the OnePlus Nord 2 is rumored to pack a triple camera setup featuring a 50-megapixel primary camera; an 8-megapixel camera, and a 2-megapixel camera. The rear camera setup has autofocus. It is rumored to sport a single camera setup for selfies, a 32-megapixel primary camera. OnePlus Nord 2 is based on Android 11 and packs 128GB of inbuilt storage. The OnePlus Nord 2 is tipped to be a dual-SIM (GSM and GSM) mobile that will accept Nano-SIM and Nano-SIM cards. Connectivity options on the OnePlus Nord 2 are said to include Wi-Fi 802.11 a/b/g/n/ac/Yes, GPS, USB Type-C, 3G, and 4G (with support for Band 40 used by some LTE net

পরামানু ধারণা ও ডাল্টনের পরমাণুবাদ (Concept of Atom and Dalton 's Atomic Theory)

ডাল্টনের পরমাণুবাদের স্বীকার্য গুলি হল:- 1. প্রতিটি মৌল অসংখ্য অতি ক্ষুদ্র অবিভাজ্য নিরেট কণা দ্বারা গঠিত। এই ক্ষুদ্রতম কনাকে  পরমাণু বলে । 2. একই মৌলের প্রতিটি পরমাণুর ভর ,আকার ও ধর্ম একই হয়। 3. রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিভিন্ন মৌলের পরমাণু গুলি পূর্ণ সংখ্যার সরল অনুপাতে পরস্পর যুক্ত হয়ে যৌগ পরমাণু গঠন করে । 4. পরমানুকে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ভাঙ্গা বা সৃষ্টি করা যায় না । 5. পরমাণুকে সৃষ্টি বা ধ্বংশ যায় না, পরমাণু অবিভাজ্য। পরমাণুর সংজ্ঞা:- কোন মৌলের যে ক্ষুদ্রতম কণার মধ্য ঐ মৌলের সব ধর্ম বর্তমান থাকে এবং যে কনা নিজস্ব ধর্ম বজায় রেখে রাসায়নিক বিক্রিয়া অংশ নেয় তাকে ওই মৌলের পরমানু বলে।

তাপ ও তাপমাত্রা

তাপ: তাপ একপ্রকার শক্তি যা উচ্চ তাপমাত্রার বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রার বস্তুতে তাপমাত্রার পার্থক্যজনিত কারণে বিভন্ন পদ্ধতিতে ( যেমন- পরিবহণ, পরিচলন, বিকিরণ প্রক্রিয়ায় ) গমন করে। তাপ যেভাবে উৎপন্ন হয়: প্রকৃতপক্ষে, তাপ পদার্থের অণুগুলোর এলোমেলো গতির ফল। পদার্থের অণুগুলো সবসময় গতিশীল অবস্থায় থাকে। কোন পদার্থের মোট তাপের পরিমাণ এর মধ্যস্থিত অণুগুলোর মোট গতিশক্তির সমাণুপাতিক। কোন বস্তুতে তাপ প্রদান করা হলে এর অণুগুলোর ছুটাছুটি বৃদ্ধি পায়, ফলে এর গতিশক্তিও বেড়ে যায়। সুতরাং তাপ পদার্থের আণবিক গতির সাথে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠাণ্ডা বা গরমের অনুভূতি জন্মায়। তাপের একক: আমরা জানি, তাপ এক প্রকার শক্তি সুতরাং তাপ পরিমাপের একক হবে শক্তির একক অর্থাৎ জুল ( J). এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি শুরু হওয়ার পূর্বে তাপ পরিমাপের একক হিসেবে ক্যালরি (cal) সর্বাধিক প্রচালিত ছিল। উল্লেখ্য যে, 1 ক্যালরি= 4.1858 জুল। তাপমাত্রা: কোন বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা নির্ধারণ করে ঐ বস্তুটি অন্য কোন বস্তুর সংস্পর্শে আসলে তাপ গ্রহণ করবে না বর্জন করবে, তাকে তার তাপমাত্রা বলে। আন্তর্জাতিক পদ্ধতি

LCD ও LED এর মধ্যে কোনটি কম্পিউটার মনিটরের জন্য ভালো?

LED মনিটর ভাল হবে কারন এলইডি এর কন্ট্রাস্ট রেশিও এলসিডি এর চেয়ে বেশি। এলসিডি এর একটি অন্যতম দুর্বলতা হলো এটি ইমেজ প্রদর্শনের সময় স্ক্রিন এ কিছু ব্ল্যাক লেভেল সৃষ্টি করে। ফলে কন্ট্রাস্ট রেশিও কমে যায়। এবং ইমেজ এর প্রকৃত দৃশ্য পুরোপুরি প্রকশিত হয়না। এলইডি তে এই ব্ল্যাক লেভেল ব্যাকলাইট এর সাহায্যে প্রশমিত হয়। ফলে পার্ফরমেন্স এলসিডি এর চেয়ে ভাল হয়। এলইডি ডিসপ্লেতে ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল এলসিডি এর চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এলইডি’তে এক পাশ থেকেও পরিষ্কার ছবি দেখা যায়। বর্তমান বাজারে এলসিডি এর সাইজ লিমিট মোটামুটি ১৫ থেকে ৬৫ ইঞ্চি এবং এলইডি এর সাইজ লিমিট হলো ১৭ইঞ্চি থেকে ৭০ ইঞ্চি পর্যন্ত। এলইডি তুলনামুলক কম শক্তি ব্যবহার করে এবং অধিকতর উজ্জল ডিসপ্লে প্রদান করে। এল সি ডি বেশি বিদ্যুৎ শোষন করে আবার এল ই ডি থেকে কম উজ্জলতা প্রদান করে।

LCD ও LED কী এবং এদের মধ্যে পার্থক্য ?

১  এল সি ডি (LCD) টিভি এবং এল ই ডি (LED) টিভি দুটোতেই দুটা করে গ্লাস প্যানেল থাকে। গ্লাস প্যানেল দুটার মাঝে থাকে লিকুইড ক্রিস্টাল (LCD, LED দুটোতেই) ।  LCD টিভি তে এই আলো ফেলে সুক্ষ সুক্ষ ফ্লোরেসেন্ট বাতি (Florescent Lamp) আর LED টিভি তে এই আলো ফেলে সুক্ষ সুক্ষ LED বা লাইট এমিটিং ডায়ড। LED ফ্লোরেসেন্ট বাতির চেয়ে বেশী উজ্জ্বল বলে LED টিভি বেশী Sharp দেখায়। ২। LED টিভি LCD টিভির চেয়ে অনেক হালকা ও পাতলা। ৩। LED টিভি LCD টিভির চেয়ে দামে ৫০% বেশী। ৪। LED টিভির Contrast Ratio 500,000:1 পর্যন্ত হয় আর LCD টিভির Contrast Ratio 100,000:1 পর্যন্ত হয়। এজন্য LED টিভিতে কালো কে সত্যি কালো দেখা যায় ধুসর নয়। ৫। LED টিভিতে LCD টিভির চেয়ে প্রায় ৪০% কম এনার্জি খরচ হয় তাই বিদ্যুত বিল ও কম আসে। ৬। LED টিভিতে Mercury নাই কিন্তু LCD টিভিতে Mercury থাকে তাই LED টিভি বেশী পরিবেশ বান্ধব

CFLও LED কী ?

বিগত কিছু বছর জুড়েই পুরো বিশ্বই বিদ্যুত সাশ্রয়ী বাতির দিকে ঝুঁকছে। চিরাচরিত বিদ্যুৎগ্রাসী ফিলামেন্ট বাল্বকে পেছনে ফেলে সিএফএল বিদ্যুৎ ও টাকা দুই ই সশ্রয়ে অবদান রেখে এসেছে। অবশ্য বিজ্ঞানীরা এরই মধ্যে সিএফএল-এরও বিকল্প নিয়ে এসেছেন। এল.ই.ডি বা LED (LIGHT EMMITING DIODE) ব্যাপারটার সাথে আমরা আগে থেকেই হয়তো পরিচিত, আজকাল বেশ অহরহই চোখে পড়ে। আসুন, একটু খানি জেনে নেই। CFL বাল্ব মূলত অভ্যন্তরে ফসফরাসের কোটিং যুক্ত একটি গ্যাস ভর্তি টিউব। বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এই গ্যাস থেকে অতিবেগুনি রশ্মি নির্গত হয়। আর অতিবেগুনি রশ্মি ফসফরাসকে উত্তেজিত করে আলো তৈরি করে। অপর পক্ষে LED বাল্বে মূলত গ্যালিয়াম নাইট্রাইটের তৈরি একটি পজিটিভ ও একটি নেগেটিভ সেমিকন্ডাক্টার যুক্ত মাইক্রোচিপ থাকে। যা অল্প বিদ্যুতে শক্তিশালী অধিকতর সাদা রঙের আলো তৈরিতে সক্ষম। এটি সিএফএল বাতির চেয়ে ২.৩ গুন বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।যেহেতু বিদ্যুৎ কম খরচ হবে সেহেতু বিদ্যুৎ বিলও কম আসবে। জাতীয় গ্রিড থেকেও কম বিদ্যুৎ খরচ হবে। নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কম গ্যাস কয়লা পোড়াতে হবে, ফলে বলাই বাহুল্য যে দূষণও হবে কম। অপর পক্ষে সি এফ এল বাল্বে কিছু পরিমান ম

পশ্চিমবঙ্গের ভয়াবহ বন্য

কিছু দিন আগে পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ বন্য হয়ে গেল । যার ফলে বহু মানুষের প্রাণ ও অনেক কষ্টে তৈরী ঘর বাড়ি ,অর্থ  পশু পাখি চাষাবাদ সবই চলে গেল। বন্যা হওয়ার প্রধান দুটি কারণ ছিল। ১ ডিভিসি জল ও ২ বৃষ্টির জল । এবছর অন্যান্য বছরের তুলনায পশ্চিমবঙ্গ ও তার প্রতিবেশী অন্যান্য রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় ও যার কারনে dbc প্রচুর পরিমাণে জল ছাড়তে বাধ্য হয়  ।এই অতি মাত্রায় জল নিচু এলাকায় বা   পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়  যেমন বাঁকুড়া, বীরভূম ,কলকাতা ,পুরুলিয়া ও নানা এলাকায় বন্যার সৃষ্টি হয়। যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে । এমন সময় আমাদের পশ্চিমবঙ্গে নানা নেতা-মন্ত্রীরা সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেন তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া । অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর সুপরিকল্পিত ভাবে কাজ করায বন্যা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি এক মাসের মধ্যে নানা জায়গায় বা তারও কম সময়ে বন্যার জল  কমতে থাকে । সরকারি সাহায্য আসার আগেই নানা বেসরকারি সংস্থা ,ক্লাব তাদের সাধ্যের মধ্যে সাহায্যের হাত  বাড়িয়ে দেন । তারা মূলত নানা শাকসবজি ,জল ও শুকনো খাবার, শিশুদের জন্য গুঁড়ো দুধ বিলিয়ে দেন জনসাধারনের মধ্যে । যদিও আমি নিজে

জৈব অনুর চেহারা দেখিয়ে নোবেল জয়ী তিন ইউরোপযান

আমাদের শরীর  ভিতরে এমন অনেক জিনিস আছে তা আমার জানিনা না বা চিনিনা । তবুও আমাদের অচেনাকে চেনার অজানা কে জানার আগ্রহ আমাদের কমেনা   । এমনি অজানাকে জাআগ্রহের ফলে ইউরোপিয়ান তিন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করে ফেলেন জৈব্য অনুর চেহারা। এদের তিজনের নাম হল রিচার্ড হেন্ডারসন জোয়াকিম ফ্রাঙ্ক ও জাকুস দুবোশে । প্রথম জনের স্কটলেন্ডে ২য়  র্জামানিততে ৩য় জনের বাড়ি সুইজারল্যান্ডের । এবার আপনারা  ভাবছেন তারা এমন কাজ করলো।  জার জন্য নোবেল কমিটি তাদের নোবেল পুরস্কার দেবেন ।এই তিন বিজ্ঞানী ক্রায়ো-ইএম বা  ক্রায়ো  ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কপ বানানোর জন্য তারা এই পুুুরস্কার পান। নোবেল কমিটি তাদের  পুরস্কার সহ অর্থ ৯০ লক্ষ সুইডিশ মুদ্য দেন।